বেশ কিছু ব্যাপার আমার কাছে বেশ অস্পষ্টো। যেমন ‘ভালো’ আর ‘মন্দ’ এর ভিতরে সহজেই তফাত বুঝে ফেলা। আমি এই ২৫ বছরেও বুঝতে পারলাম না, ‘বাংলা’ নিয়ে পড়া বা ‘বাংলা’ র দিকে ঝোঁক থাকা কেন ‘মন্দ’ এবং, ইংরিজি তে ক্রিত্রিম ও কশ্কর উচ্ছারন করে কথা বলা কেন এত প্রসনশনিয়।
ঠিক তেমনি, ‘শ্লীল’ ও ‘অশ্লীল’ এর ব্যাবধান টাও আমার কাছে ধোয়াটে। পারথিব জগতের রহস্য উন্মোচন করে কি করে কোটীতে কোটীতে মানুষ, ঘৃণিত ব্যাক্তি/গষ্ঠী অথবা ধরুন, সাহিত্য চিনহিত করে ফ্যালে, এটা বোঝার বুদ্ধি বা প্রব্রিত্তি দুতই বোধহোয়ে হারিয়েছি।
বিবেকটা দুরভাগ্যবশত টনটনে আছে। তাই এত কথা লেখা ! সাল্মান রুশদি কে জয়পুর সাহিত্য উতসবে ‘সাতানিক ভারসেস’ পড়তে দেওয়া হল না। জাতির প্রতি মরিয়া হোয়ে ওঠা সংখ্যাগরিষ্ঠের দল, লেখক কে ভিডিও তেও পুস্তক থেকে অংশ বিশেষ পড়তে দিলেন না। আমার সাথে এই দলের ক্রুদ্ধ, লাঞ্ছিত কন সদস্যের দেখা হলে বলতুম, “ভাই, বইটাকি সাত্যি তুমি পড়ে দেখেছ? নাকি সকাল বেলা আব্বাজানের ডাক পেয়ে, কোন সম্পুণ৴ অসাম্প্রাদায়িক (খুব সম্ভবত রাজনৈতিক ও ঈষা৴ জনিত) কারণে উঠে চলে এসেছ?”
আমার পিতাসম এক ভদ্রলকের সাথে আমার ভারচুয়াল জগতে দেখা ও কথা-বারতা হওয়ার সউভাগ্য ঘটেছে। ভদ্রলকের নাম, শ্রীযুক্ত মলয় রায়চৌধুরী। পরিচয়ে বিক্ষ্যাত কবি ও বাংলার ৬০ এর দশকের Hungryalist Movement শীর্ষ প্রবর্তক। রাতের খাওয়া-দাওয়া হয়ে গিয়ে থাকলে, এনার জগদবিক্ষ্যাত কবিতা ‘প্রচণ্ড বইদ্যুতিক ছুতোর’ পড়ে দেখতে পারেন। পড়ে খুব সম্ভবত এই ব্লগ এ ফিরে আসবেন না।
আমি কি এই সাঙ্ঘাতিক অশ্লীল ভাষা কে সমথ৴ন করার চেষ্টা করছি? না !
আমি কি বলতে চাইছি যে কবি হওয়ার সুবাদে, মলয় রায়চৌধুরী, যা ইচ্ছে তাই লিখতে পারেন? একদমি না!
আমি কি বলছি যে সুন্দর, বা নান্দনিয় ভাষা প্রয়োগ করে ভালো কবিতা লেখা যায় না? না!
আমার বক্তব্য খুবি সহজ। শ্লীলতা-অশ্লীলতা বিচার করার ক্ষমতা কি আমরা সাত্যি অজ৴ন করেছি? মানছি আপনি পাঠক। আমার লেখা আপনার পছন্দ না হলে আমার পেটে ভাত জুটবে না। কিন্তু তাই বলে কি সীমিত মনষ্কতাকে আমি সমরথন জানাবো? এইবারেও কিন্তু আমার উত্তর নাই হবে। সাল্মান রুশদি হন, বা মলায় বাবু, শুধুমাত্র, আপনার সৃষ্টি করা সীমিত মাপকাঠিতে বোধহয়ে সব শিল্পী কে ফেলা উচিত নয়।
ভালো করে দেখুন তো, আপনার চারপাশে সাত্যিই কি শ্লীলতার উদাহরণ থিক থিক করছে? অন্যের দিকে আঙ্গুল তোলার সময়, নিজের যুবতি মেয়ের স্কার্ট টা কি একটু বেশিই ছোট মনে হচ্ছে?
ধৃষ্টতা মাপ করবেন। আমি মানুষটাই এইরকম।
আমি শ্রীমন্তি
শ্রীমন্তিদেবী
আপনার আলোচনার জন্য ধন্যবাদ। মলয়বাবু না লিখে শুধুই মলয় বা মলয় রায়চৌধুরী লিখলে হয় না ? যেমন সালমান রুশডি লিখেছেন, সালমান মিয়াঁ লেখেননি।
আপনি যে প্রতর্কটি তুলে ধরেছেন তা বাইনারি অপোজিট বা যুগ্মবৈপরীত্যের তত্ব। সনাতন ভারতে কখনও কোনো বই নিষিদ্ধ হয়েছে কি ? হয়নি বলে জানি । তার কারণ সনাতন ভারতীয় চিন্তায় ঈশ্বর/শয়তান, বিশুদ্ধ ভালো/বিশুদ্ধ খারাপ, গুড আর্ট/ব্যাড আর্ট ধরণের ভাগাভাগি ছিল না; একারণেই আমাদের এত বেশী পূজ্য দেবী-দেবতা — আনকোয়েশ্চেনড লয়ালটি কোনো দেবী-দেবতাই দাবি করেননি।
আমার কবিতাটি এখনও আলোচিত হচ্ছে দেখে উদ্দীপ্ত হই। আপনার এই নতুন ব্লগটির জন্য অভিনন্দন।
শ্রীছরণেশষু মলয় রায়চচৌধুরী,
আপনাকে এই ক্ষুদ্র প্রচেষ্টাএ পেয়ে আমি বাধিত।
আমার ধারনা আপনার কবিতাকে উপেক্ষা করা সম্ভবপ্পর হবে না।
আমার আশা আপনার বক্তব্য একদিন শুধুমাত্র আলোচ্য বিষয়ের থেকে আরও গভীরতর
মূল্যায়নে পাঠক বর্গের কাছে উন্মছিত হবে।
আপনাকে সম্মধনের ভাষার ত্রুটি মারজনা করবেন।
অশেষ ধন্ন্যবাদ,
আমি শ্রীমন্তি
bhalo laglo!!!
প্রিয় রারা,
আপনার মন্তব্য পেয়ে আমারও ভীষণ ভালো লাগলো। পড়তে থাকুন !
আমি শ্রীমন্তি
খুব ভাল লাগল।
প্রিয় আপারাজিতা,
আমারও ভীষন ভালো লাগলো। পড়তে থাকো !
আমি শ্রীমন্তি